সুপ্রিম কোর্টের ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের চাকরি (Primary job) সম্ভব নয়। এমনটাই জানালেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
রাজ্য সরকার ও রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে চাকরি (Primary job) দেওয়ার বিষয়ে শুরু থেকেই আগ্রহী, তা বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করলেন গৌতম পাল। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক টেটের ২০১৪ সালের ব্যাচের চাকরিপ্রার্থী এবং ২০১৭ সালের পরীক্ষার ব্যাচের চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের মধ্যেই আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির বক্তব্য সমর্থন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,”সুপ্রিম কোর্টের কারণে আমরা আটকে রয়েছি। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ আসার পরেই পদক্ষেপ করা হবে।”
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…
নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…