ভোটার তহবিল নয়, ট্রাম্পের দাবি খারিজে রিপোর্ট প্রকাশ

অর্থমন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউএসএআইডি মোট ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের সাতটি প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।

Must read

প্রতিবেদন: মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি)-এর মাধ্যমে ভারতের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল চলছে জাতীয় রাজনীতিতে। এই ইস্যু তুলে একাধিকবার মোদি সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার মুখরক্ষায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে কেন্দ্র জানাল, ভোটার খাতে কোনও অনুদান আসেনি।

আরও পড়ুন-উত্তর কলকাতায় দুই মহিলার ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার

অর্থমন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউএসএআইডি মোট ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের সাতটি প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। অর্থমন্ত্রকের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে, ইউএসএআইডি ভারত সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের মোট বাজেটের সাতটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই সাতটি প্রকল্পের অধীনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউএসএআইডি মোট ৯৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮২৫ কোটি টাকা) অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক অর্থায়ন সংক্রান্ত সমন্বয়কারী বিভাগ অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতর প্রতিবেদনে এই বছরের জন্য অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্যও দিয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। বরং এই অর্থ কৃষি ও খাদ্য সুরক্ষা, জল, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, নবীকরণযোগ্য শক্তি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রকল্পগুলিতে ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়া অরণ্য ও জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচি এবং শক্তি দক্ষতা প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ ও উদ্ভাবন প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলিতেও অর্থায়ন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-সাতসকালে কাঁপল তিলোত্তমা, উৎসস্থল কলকাতার অদূরেই

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভারতকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহায়তা ১৯৫১ সালে শুরু হয়, যা মূলত ইউএসএআইডি-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন খাতে ৫৫৫টিরও বেশি প্রকল্পে মোট ১৭ বিলিয়ন ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকা) বেশি অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই মাসের শুরুর দিকে ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি দাবি করে যে, তারা ভারতের ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য বরাদ্দকৃত ২১ মিলিয়ন ডলারের একটি অনুদান বাতিল করেছে। মাস্কের বক্তব্য সমর্থন করেছেন ট্রাম্পও।

Latest article