লিভইন সঙ্গীকে (Live in partner) খুন করে তাঁর দেহ ট্রাঙ্কে ভরে রাখার অভিযোগ উঠল এবার এক অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, দেহ ট্রাঙ্কে রেখে সেটাতে আগুন ধরিয়ে দেন অভিযুক্ত রাম সিংহ পারিহার। কিছুটা ভস্ম উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে নদীতে ফেলে দেন। ট্রাঙ্কে পরে থাকা বাকি অংশ নিজের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়িতে পাঠানোর সময়েই পুলিশের নজরে আসে বিষয়টি। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ফেরার।
আরও পড়ুন-হিন্দিতে কথা না বলার শাস্তি! ছত্তিশগড়ে ৩ বাঙালি ছাত্রকে নামিয়ে দেওয়া হল ট্রেন থেকে
জানা গিয়েছে,পারিহারের দুই স্ত্রীর মধ্যে প্রথম স্ত্রী ঝাঁসির সিপরি বাজার এলাকায় থাকেন এবং দ্বিতীয় স্ত্রী কোতওয়ালি এলাকায় থাকেন। কিন্তু তারপরেও পারিহার প্রীতি নামে ৩৫ বছরের এক মহিলার সঙ্গে থাকতেন। পারিহারের থেকে টাকা দাবি করতেন প্রীতি। লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার পরেও টাকা চাওয়ায় তাঁকে পারিহার খুন করেন বলে জানিয়েছেন পারিহারের দ্বিতীয় স্ত্রী।
আরও পড়ুন-মেয়ের কাছেই থাকবে বাংলা: মোদির দিশাহীন সিঙ্গুর বৈঠকের পর জানিয়ে দিলেন অভিষেক
পুলিশ সূত্রে খবর, বছরের শুরুতে প্রীতিকে খুনের পরে দেহ ট্রাঙ্কের ভিতরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন অভিযুক্ত। ভস্মীভূত দেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেন এবং বাকি অংশ ট্রাঙ্কে ভরে দ্বিতীয় স্ত্রী গীতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। শনিবার রাতে গীতা এবং তাঁর পুত্র নিতিনকে ডেকে পাঠান তিনি। নিতিন কয়েক জন বন্ধুকে নিয়ে এলে তিনি গাড়ি ডেকে ট্রাঙ্ক ও নিতিনদের সেটাতে তুলে দেন। ট্রাঙ্কটি গীতার বাড়িতে নামিয়ে দেওয়ার পরে সেই গাড়ির চালক জয়সিংহ পালের সন্দেহ হলে তিনিই থানায় খবর দেন।
পুলিশ গীতার বাড়ি পৌঁছে ট্রাঙ্কটি খুলতেই ভস্মীভূত দেহাবশেষ বেরিয়ে আসে। দ্রুত ফরেন্সিক দল নমুনা সংগ্রহ করে। ঝাঁসির পুলিশ সুপার এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্তের খোঁজ শুরু হয়েছে। নিতিন-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আপাতত মৃতার প্রাক্তন স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

