প্রতিহিংসার রাজনীতি, ইডিকে তোপ দাগলেন সাকেত ও মহুয়া

Must read

প্রতিবেদন : বিজেপির দলদাস কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (IPAC_ED) প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে বাংলা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়ে ইডির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও সাকেত গোখেল। ইডিকে তীব্র নিশানা করে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র জানিয়েছেন, ইডি রাজনৈতিক চুরি এবং গুপ্তচরবৃত্তি করেছে! মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ইডি (IPAC_ED) হানার সময়ে নিজে রুখে দাঁড়িয়েছেন এবং দলের সম্পত্তি রক্ষা করেছেন, তা পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত৷ চুরি-ডাকাতির সময় আত্মরক্ষার্থে একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় যেকোনও পদক্ষেপ নিতে পারেন৷ দশ বছরের পুরনো দুর্নীতিতে তদন্তের নামে আসলে ইডি তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত যাবতীয় নথি চুরি করতে চেয়েছিল। অন্যদিকে, তথ্য তুলে ইডিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের ‘ব্যক্তিগত মাফিয়া’ বলে নিশানা করে সাংসদ সাকেত গোখেল এক্স মাধ্যমে লিখেছেন, রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে ইডি মামলার প্রায় ৯৮% বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে। বাকি ২% হল বিজেপির নেতা। গত ১১ বছরে ইডি মোট ৫২৯৭টি মামলা দায়ের করেছে। আর বিচারের জন্য আদালতে নেওয়া হয়েছে মাত্র ৪৭ জনকে। ইডির তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ০.৭% অর্থাৎ প্রতি ১০০০টি মামলার মধ্যে মাত্র ৭টি মামলায় আসামিরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন-স্টুডেন্ট উইকের শেষ দিনে আরও ৮ লক্ষ ৫০ জনকে ট্যাবের টাকা

Latest article