তমলুকে বছরভর মাশরুম চাষোপযোগী বাতানুকূল ঘর করে দিল রাজ্য সিএডিসি, আয় বাড়বে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মেয়েদের

এবার গ্রীষ্মকালেও চাষ করা যাবে মাশরুম। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা পাওয়ার পর এবার শুরু হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম উৎপাদন

Must read

তুহিনশুভ্র আগুয়ান, তমলুক: এবার গ্রীষ্মকালেও চাষ করা যাবে মাশরুম। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা পাওয়ার পর এবার শুরু হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম উৎপাদন। গ্রামীণ মহিলাদের স্বনির্ভর করে তুলতে বাতানুকূল ঘরে বছরভর মাশরুম চাষের ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকারের কম্প্রিহেনসিভ এরিয়া ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (সিএডিসি)। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক চাষে লক্ষ্য করা গিয়েছে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে মাশরুম চাষ অত্যন্ত লাভজনক। যা সারা বছর ধরেও করা যাবে। তাই গ্রামীণ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সরকারি স্কিমের মাধ্যমে মাশরুম চাষে আগ্রহী করে তুলছেন আধিকারিকেরা। মাশরুমে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। হজম ক্ষমতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই ক্রমেই বাড়ছে এর চাহিদা।

আরও পড়ুন-ওয়াকফ : নেপথ্যে কেন্দ্রের বিভেদকামী ভাবনা, গর্জে উঠলেন কল্যাণ

মাত্র ২ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ করে মাশরুম চাষে প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। তাই এবার সারা বছর ধরে যাতে গ্রামীণ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আয়ের মুখ দেখতে পারেন সেজন্য মাশরুম চাষে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরের ব্যবস্থা করেছে সিএডিসি। এতদিন বছরে মাত্র ৫ মাস মাশরুম চাষ করা যেত। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বাকি সময় চাষোপযোগী ছিল না। মাশরুম চাষে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বায়ু চলাচল ছাড়াও অন্ধকার কিংবা কম আলো যুক্ত ঘর প্রয়োজন। একেবারে সেরকম ঘরেরই ব্যবস্থা করেছে সিএডিসি। রাজ্য সিএডিসির ডেপুটি ডিরেক্টর উত্তমকুমার লাহা জানান, ‘এই চাষে তেমন বেশি খরচ নেই। বাতানুকুল মেশিন ব্যবহার করেও মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ সম্ভব। পূর্ব মেদিনীপুরে ফেব্রুয়ারির পর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় খোলা জায়গায় মাশরুম চাষ সম্ভব হয় না। তাই আগামী দিনে তাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে মাশরুম চাষের জন্য এই ব্যবস্থা।’

Latest article