টি-ট্যুরিজম : অপপ্রচারের জবাব দিয়ে আসল তথ্য পেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারের টি-ট্যুরিজম নীতি নিয়ে অপপ্রচারের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ-ব্যাপারে বিভ্রান্তি কাটাতে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

Must read

প্রতিবেদন : রাজ্য সরকারের টি-ট্যুরিজম নীতি নিয়ে অপপ্রচারের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ-ব্যাপারে বিভ্রান্তি কাটাতে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইনে বলা আছে যেখানে চা জন্মায় সেই জায়গার ক্ষতি করা যাবে না। সেই নীতি থেকে রাজ্য সরকার সরছে না। কিন্তু যেখানে চা-চাষ হচ্ছে না বা জমি ব্যবহার না হয়ে পড়ে আছে, সেখানকার ১৫ শতাংশ জমিতে ট্যুরিজম প্রোজেক্টের জন্য অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে। সেখানে হোটেল-সহ পর্যটনের বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা যেতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে নিয়োগের ৮০ শতাংশ স্থানীয়দের মধ্যে থেকেই করতে হবে। যদি সংশ্লিষ্ট সংস্থা সরকারের বেঁধে দেওয়া যাবতীয় শর্ত পূরণ করে তবে অতিরিক্ত খালি জমি থাকলে তবেই তার আরও ১৫ শতাংশ সেই সংস্থাকে লিজ দেওয়া হবে (সব মিলিয়ে ৩০ শতাংশ)।

আরও পড়ুন-জগন্নাথ মন্দির : পরিচালনার জন্য কমিটি, হিডকোকে জমি হস্তান্তর

মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন বিশেষ কমিটি কেস টু কেস বিবেচনা করে এ-বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, টি-প্ল্যান্টের জমির সঙ্গে কোনও আপস নয়। চা-বাগানের জমি কাউকে ফ্রি হোল্ড দেওয়ার নিয়ম নেই। লিজে থাকে। চা-বাগানের আইন একই রয়েছে। আমরা সেটা মেনেই চলছি। তবু উত্তরবঙ্গে চা-শ্রমিকদের একাংশের সঙ্গে কিছু লোক নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছেন। এর পিছনে কিছু ভুতুড়ে রাজনৈতিক দল রয়েছে। এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৩ বছরের জন্য উত্তরবঙ্গের ৬টি চা-বাগানকে লিজ দেওয়া হল। এর কোনওটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, কোনওটি আবার নাম কা ওয়াস্তে খোলা থাকলেও কর্মীরা বেতন পাচ্ছিলেন না দীর্ঘদিন ধরে। চা উৎপাদন থেকে কর্মীদের সঠিক সময়ে বেতন, পিএফ-সহ অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা ওরা করলে ভবিষ্যতে চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর করা হবে। শীঘ্রই চা-বাগানের ২৬ হাজার শ্রমিকের হাতে পাট্টা তুলে দেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Latest article