শহিদ-স্মরণে হাসপাতালের জমিতে মন্দির! গদ্দারকে নিশানা তৃণমূলের

নন্দীগ্রামে শহিদ-স্মরণে হাসপাতাল করার জন্য জমি নিয়েছিলেন গদ্দার। দলবদলের পর সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে এখন জমিতে মন্দির করার হুঙ্কার ছাড়ছেন

Must read

প্রতিবেদন : নন্দীগ্রামে শহিদ-স্মরণে হাসপাতাল করার জন্য জমি নিয়েছিলেন গদ্দার। দলবদলের পর সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে এখন জমিতে মন্দির করার হুঙ্কার ছাড়ছেন। বিরোধী দলনেতার এই হুঙ্কারের পাল্টা দিলেন তৃণমূল। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ লন্ডন থেকে এক ভিডিও বার্তায় জানান, সাংসদ তহবিলের টাকায় কেনা জমি অন্য খাতে ব্যবহার করা যায় কি? অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার জমির সরকারি নথি যাচাই করা হোক। জেলাশাসকের কাছে এই মর্মে দাবি তুলল তৃণমূল।

আরও পড়ুন-কেন্দ্রীয় বাহিনীর কীর্তি! বাড়িতে ঢুকে লুটপাট, ধৃত ৫ জওয়ান-সহ ৭

কুণাল বলেন, সাংসদ থাকাকালীন নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতির কথা সাংসদ হিসেবে তাঁর উন্নয়নমূলক খতিয়ান দেওয়া পুস্তিকার পাতাতে লেখা আছে। এখন প্রশ্ন হল, নিজের ব্যক্তিগত মালিকাধীন জমিতে যে কেউ যা খুশি করতে পারেন— মন্দির, মসজিদ, চার্চ। কিন্তু এমপি ল্যাডের টাকায় কেনা জমিতে অন্য কিছু করা যায় না। তৃণমূল সাংসদ থাকাকালীন তিনি যে জমিতে হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটা এখন অন্য কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন। কুণালের দাবি, ওই পুস্তিকার সত্যতা যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে সরকারি নথি খতিয়ে দেখা হোক। জেলাশাসক খতিয়ে দেখুন রেকর্ডে কী আছে। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের সোনাচূড়ায় ওই জমিতেই রামমন্দির তৈরির জন্য রামনবমীর দিন ভিতপুজো হবে বলে হুঙ্কার ছেড়েছিলেন গদ্দার। পাল্টা তৃণমূল নেতৃত্ব জানায়, তৃণমূল সাংসদ থাকাকালীন ২০০৯ সালে ওই এলাকায় ‘শহিদ স্মৃতি হাসপাতাল’ করবেন বলে প্রায় চার বিঘা জমি কেনেন তিনি। সোনাচূড়া অঞ্চল তৃণমূলের তৎকালীন সভাপতি রাধাকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমরাই তখন একাধিক জমির মালিককে বুঝিয়ে অনেক কম দামে জমি সংগ্রহ করে দিয়েছিলাম। পরে, উনি নিজের নামে জমি রেজিস্ট্রি করে নেন। প্রতিবাদ করায় বলেন, এলাকায় ট্রাস্ট গড়ে ওই জমি দান করে দেবেন। এখন সেইসব প্রতিশ্রুতি ভুলে সেখানেই মন্দির করবেন বলছেন!

Latest article