প্রতিবেদন : বিশ্বব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক তথ্যে, গত ১০ বছরের পরিসংখ্যানে ভারতের ২৬.৯ কোটি মানুষ চরম দারিদ্রসীমা থেকে উন্নত হয়েছে। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বাংলা। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি মানুষের হাতে টাকা তুলে দিয়ে বাংলার তৃণমূল সরকার যে নিদর্শন তৈরি করেছে, তাতে গোটা দেশ অনুপ্রাণিত। বাংলার এই মডেলেই যে দারিদ্র দূরীকরণে ভারতের এই উন্নতি, তা বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্যেই প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে, ২০১১-১২ সালে ভারতে ৩৪.৪৪ কোটি মানুষ ছিলেন চরম দারিদ্রসীমার নিচে।
আরও পড়ুন-ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রসার বেড়েছে রাজ্যে
২০২২-২৩ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৫২ কোটিতে। গ্রামীণ ও শহর এলাকাতে এই উন্নয়ন প্রায় সমানভাবেই হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১১ সালে দেশে চরম দারিদ্রসীমার নিচে থাকা জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশই ছিল মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার ও বাংলায়। পরবর্তীকালে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো একাধিক রাজ্যে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেইসব রাজ্যগুলিকে ঢালাও সাহায্য দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। কিন্তু বাংলাকে রেখেছে বঞ্চনার চূড়ান্ত অন্ধকারে। তবে বাংলায় ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার গঠনের পরই মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনায় চালু করা হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো একাধিক জনকল্যাণমুখী প্রকল্প। যা প্রত্যক্ষভাবে সাধারণ মানুষের হাতে অর্থ তুলে দেওয়ার কাজ করেছে। এমনকী, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাংলাকে মোদি সরকারের চূড়ান্ত বঞ্চনার পরও তৃণমূল সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের পরিষেবা অব্যাহত রেখেছেন।
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…
নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…