মণীশ কীর্তনিয়া : বিধানগরের (Bidhannagar) মানুষ উন্নয়নের নিরিখেই আবারও পুরবোর্ডে ফেরাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। আগামী ২৫ বছর বিধাননগরের মানুষকে ভাবতে হবে না। বলেছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty)। কলকাতার পাশে এ আর এক কলকাতা। আসলে উপনগরী। সল্টলেক। পোশাকি নাম বিধাননগর। শুধু সল্টলেক নয়, কর্পোরেশন হওয়ায় যুক্ত হয়েছে রাজারহাট নিউটাউন-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে কর্মকাণ্ড ও কর্মযজ্ঞ দুটোই বিশাল। তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড তৈরি হওয়ার পর গোটা বিধাননগরের ৪১ ওয়ার্ডে উন্নয়নের জোয়ার। বাম আমলে একটা সময়ে সল্টলেক ছিল আতঙ্ক নগরী। চুরি ডাকাতি ছিনতাই ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকী ডাকাতি করতে এসে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। ২০০৪ সালের রোমা ঝাওয়ার অপহরণের ঘটনা তো রাজ্য ছাড়িয়ে গোটা দেশে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল। বিধাননগরের সংযুক্ত এলাকায় চলত মস্তানরাজ। সিপিএমের বড় নেতাদের হাত মাথার ওপর থাকায় তারা ছিল বেপরোয়া। এখন সেসব উধাও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৈরি হয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। আছেন পুলিশ কমশিনার। পুরপ্রশাসক কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানালেন, বিধাননগরকে তাঁরা এমনভাবে গড়ে তুলছেন যাতে আগামী ২৫ বছর এখানকার নাগরিকদের কোনও সংশয় থাকবে না। ইতিমধ্যেই ৮টি হাসপাতাল-সহ একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। রাস্তার হাল ফিরেছে। পুরপ্রশাসকের কথায়, সব থেকে উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে বিধাননগরবাসী এখন বিশুদ্ধ পানীয় জল পান কলকাতার মতো। এই উপনগরীতে প্রচুর বৃদ্ধ-বৃদ্ধার বসবাস। তাঁদের ছেলেময়েরা অনেকেই কর্মসূত্রে বিদেশে থাকেন। এঁদের নিত্যদিনের খোঁজ রাখা। অসুখ-বিসুখে দায়িত্ব নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা। বাড়ি নিয়ে আসা। ওষুধ, পরিচর্যার ব্যবস্থা করা— এর সবই করে থাকেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী ও তাঁর পুরো টিম। সল্টলেকে আগে যত্রতত্র আবর্জনা পড়ে থাকত। এখন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবস্থায় বিধাননগরে আবর্জনা আর চোখে পড়ে না। বহু বছর ধরেই সল্টলেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। তার জন্য রয়েছে একাধিক প্রেক্ষাগৃহ। তৃণমূল বোর্ড তৈরির পর সেগুলিকে আরও উন্নত ও আধুনিক করে তোলা হয়েছে। পুর পরিষেবা নিয়ে এখন আর অভিযোগ করতে শোনা যায় না বিধানগরবাসীকে। সংযুক্ত এলাকার উন্নয়ন হয়েছে চোখে পড়ার মতো। বিধাননগরের মার্কেটগুলিকে আধুনিক রূপ দেওয়া হয়েছে। এখন এই উপনগরী আলোঝলমলে। পরিবহণ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রচুর সরকারি অফিস এই উপনগরীতে। রয়েছে সেক্টর ফাইভের মতো হাইফাই এলাকা। রয়েছে ২টি সিটি সেন্টার। এই সবগুলির সৌন্দর্যায়ন ও তাকে নিয়মিত পরিষেবা দেওয়ার কাজটাও বিধাননগর কর্পোরেশন করছে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই। সঙ্গে জুড়েছে উড়ালপুল। সব মিলিয়ে বিধাননগর এখন এক চোখধাঁধানো আধুনিক শহর। জানুয়ারিতেই এই উপনগরীর নির্বাচন। কিন্তু একটুও ভাবনা নেই পুরপ্রশাসক কৃষ্ণা চক্রবর্তীর। কারণ তিনি মনে করেন, যে কাজ তাঁরা করেছেন তার নিরিখেই বিধাননগরের মানুষ আবারও তাঁদের পাশেই থাকবেন। আবারও পুরবোর্ড গড়বে তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুন: আজ গঙ্গাসাগর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
প্রতিবেদন: ১৩,৪২১ শূন্যপদের জন্য দ্বিতীয় দফার ইন্টারভিউর দিন ঘোষণা করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal…
রাজ্য সরকারের ডিজিটাল পরিষেবা উদ্যোগ আরও একবার জাতীয় স্বীকৃতি পেল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘অনুমোদন’ (Anumodan) নামে…
রাজ্যের কৃষি গবেষণায় বড় সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার নিজের…
গ্রিনল্যান্ড (Greenland_Donald Trump) দখলে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার একধাপ এগিয়ে মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর…
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…