ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি ও জনৌষধিতে বাংলাকে বঞ্চনা, ক্ষোভ সাংসদের

Must read

প্রতিবেদন: ওষুধের (Medicine price hike) দামবৃদ্ধির সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। জননেত্রীর এই ক্ষোভ এবং উদ্বেগের সুরেই বৃহস্পতিবার সংসদচত্বরে ক্ষোভ উগরে দিলেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার। জনৌষধি কেন্দ্র নিয়ে মোদি সরকারের বাংলার প্রতি বঞ্চনা নিয়েও সরব হলেন তিনি। ১ এপ্রিল থেকে ওষুধের দামবৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আঙুল তুললেন মোদি সরকারের দিকে। তাঁর অভিযোগ, এক্ষেত্রেও বাংলার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে কেন্দ্র। চরম দুর্দশার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাঁর প্রশ্ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম (Medicine price hike) এভাবে বাড়ানো হল কোন যুক্তিতে? সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের প্রশ্নের উত্তরে এদিন কেন্দ্রের রসায়ন এবং সার দফতরের প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল স্বীকার করেছেন, বাংলায় কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত ৬৩০টি জনৌষধি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০টিই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাপির প্রশ্ন, কেন্দ্র কি এর দায় অস্বীকার করতে পারে? মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, এমনিতেই রাজ্যে জনসংখ্যা এবং চাহিদার তুলনায় জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা খুবই কম। এই প্রসঙ্গেই বাপি হালদার জানান, তাঁর লোকসভা কেন্দ্র মথুরাপুরে জনসংখ্যা ৪০ লক্ষের বেশি হওয়া সত্ত্বেও জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা মাত্র ৫।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ জানতে চেয়েছিলেন, দেশে জনৌষধী কেন্দ্রের সংখ্যা মোট কত? এরমধ্যে কতগুলো চলছে এবং কতগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছে? এ-বিষয়ে রাজ্যভিত্তিক তথ্য দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। সুনির্দিষ্টভাবে তিনি জানতে চান বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়া কিংবা লোকসানের কারণেই কি অনেক জনৌষধি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? নিম্নমানের ওষুধ সরবরাহের অভিযোগে কি কোনও সাপ্লায়ারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে? মেলেনি কোনও সদুত্তর।

আরও পড়ুন- রাজ্যসভায় তৃণমূলের আক্রমণে বিধ্বস্ত, দিশাহারা মোদি সরকার

Latest article