প্রতিবেদন : স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি-র (SSC) তরফে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে শনিবার। তারপরই এই নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তিমূলক প্রচার শুরু করেছে। এই আবহে এবার বক্তব্য স্পষ্ট করল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, কোথাও কোনও অন্যায় বা অনিয়ম হয়েছে বলেই তো এত তদন্ত হচ্ছে, শাস্তি হচ্ছে। আজ সবকিছু কম্পিউটারাইজড হওয়ার কারণেই জানা যাচ্ছে। এসব অবশ্য কোনও ভাবেই হওয়া উচিত নয়। তবে বাম জমানায় যেভাবে প্রত্যেক হোলটাইমারের বাড়িতে সরকারি চাকরি ছিল, সেগুলো কোন নিয়মে হয়েছে? তাঁদের কার কত দৌড় ছিল যে প্রত্যেক পরিবারে চাকরি হল? তখন ডিজিটাল সিস্টেম ছিল না, তাই বলে ওঁরা ধোয়া তুলসীপাতা এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। সিপিএম জমানায় চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে একাধিক সিপিএম নেতার আত্মীয়দের নাম ছিল। জলপাইগুড়ির সিপিএমের জেলা সম্পাদকের নামেও এই অভিযোগ ছিল। তিনি তাঁর আত্মীয়কে চাকরিতে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগের জবাবে কুণাল বলেন, যদি কেউ কোনও অভিযোগ করে, তবে তাঁর নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করা উচিত।
কোথাও কোনও অনিয়ম হয়েছে, তাই এতজন গ্রেফতার হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ব্যাপম কেলেঙ্কারিতে অনেক অনিয়ম ছিল। কিন্তু সেখানে তদন্ত চলাকালীন একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যু হল। ত্রিপুরায় ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের পুরো প্যানেলই বাতিল হয়ে গেল। এ নিয়ে সিপিএম, বিজেপি কী বলবে?
আরও পড়ুন- ওড়িশায় কাজের টোপ দিয়ে গণধর্ষণ