ছোট ছোট বই পড়ছি
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
বয়স হয়েছে। তাই এখন লেখা এবং বই পড়া, দুটোই কমে গেছে। ছোট ছোট গল্প লিখছি। বড় উপন্যাস লেখা যাচ্ছে না। শরীরের কারণে অনেকক্ষণ বসে থাকতে কষ্ট হয়। এখন ছোট ছোট বই পড়ছি। শরীর সঙ্গ দিলে নতুন বছরে আরও কিছু বিদেশি সাহিত্য পড়ার ইচ্ছে আছে। দেখা যাক কী হয়।
বেশি পড়ার চেষ্টা করব
প্রচেত গুপ্ত
কী পড়ব কিছুই ভাবিনি। বই সামনে হাজির হয়, পড়তে বাধ্য হই। একটা বই কিনতে গিয়ে আরেকটা বই পছন্দ করে ফেলি। প্রতি বছর সাহিত্যে এক-একজন নোবেল পুরস্কার পান। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ লেখকের লেখাই পড়িনি। সেই লেখাগুলো নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তবে সহজে পড়তে পারব, এমনকিছু বই নতুন বছরে পড়তে চাই। দুম করে একটা ভাল লেখা হাতে এসে গেলে তো পড়তেই হবে। মোটকথা, নতুন বছর কিছু না কিছু পড়ব। ২০২৫-এর তুলনায় ২০২৬-এ বেশি পড়ার চেষ্টা করব। শুধুমাত্র কেরিয়ার আর ইঁদুরদৌড়ের মধ্যে আটকে না থেকে সবাই যেন পড়ার ব্যাপারে উৎসাহী হন। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ—যাঁর যা পছন্দ, পড়তে পারেন। পড়তে পারেন ডিজিটাল মাধ্যমেও। তবে প্রত্যেককেই পড়তে হবে। আগের থেকে একটু বেশিই পড়তে হবে। প্রতিজ্ঞা করুন।
অনুবাদ পড়ার ইচ্ছা আছে
দীপান্বিতা রায়
এই বছরটায় হাতে সময় একটু বেশি। তাই বই পড়া নিয়ে এবার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। উনিশ শতকে বাংলার জীবন, বিশেষ করে মেয়েদের অবস্থা নিয়ে একটু বিস্তারিতভাবে পড়াশোনা করব ঠিক করেছি। পরিমল ভট্টাচার্যের সপ্তগ্রামের ওপর লেখা উপন্যাস শুরু করেছি। এটা পড়ব। কিছু বিদেশি গল্পের অনুবাদ পড়ার ইচ্ছা আছে। সাম্প্রতিক লেখা। বিশেষ করে ইরান এবং আফ্রিকার। আদিবাসী জনজাতির জীবনচর্যা নিয়ে ও কিছু পড়াশোনা করব ঠিক করেছি। সবই ভেবে রেখেছি। কতটুকু হবে জানি না।
আরও পড়ুন-আলিপুরদুয়ারে টার্গেট পাঁচে পাঁচ: জনসভা থেকে বিজেপিকে আনম্যাপ করে দেওয়ার ডাক অভিষেকের

