অমর্ত্যর ‘ভারতরত্ন’ নথি লাগবে নাকি ? শুনে বিব্রত কমিশন আধিকারিকরা

নির্বাচন কমিশনের কাছে কারোরই যেন ছাড় নেই!

Must read

সংবাদদাতা, বোলপুর : নির্বাচন কমিশনের কাছে কারোরই যেন ছাড় নেই! কাকে নোটিশ পাঠাতে হয়, কাকে পাঠাতে নেই সেই জ্ঞানটাও তাদের নেই। থাকলে আর শান্তিনিকেতনের ভূমিপুত্র নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে এসআইআর শুনানির নোটিশ পাঠানোর ধৃষ্টতা দেখাতে পারত না। বৃহস্পতিবার তাঁর বাড়িতে এসে সমস্ত নথিপত্র যাচাই করলেন কমিশনের আধিকারিকরা। আর সেখানেই ভারতরত্ন নথি লাগবে কিনা, এই প্রশ্নে রীতিমতো অপ্রস্তুতও হলেন। মায়ের সঙ্গে অমর্ত্যর বয়সের পার্থক্য আছে বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন-একডজন হইচই

এ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান অমর্ত্যর মামাতো ভাই শান্তভানু সেন ও প্রতীচী ট্রাস্ট। প্রতীচী ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য গীতিকণ্ঠ মজুমদার জানান, নোটিশ আসার পরেই আমরা অধ্যাপক সেনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওঁর অনুমতি পেয়েই যাবতীয় নথি নির্বাচন কমিশনের হাতে দিই। উনি এখন বিদেশে, তাই ওঁর নোটিশ গ্রহণ করেন মামাতো ভাই শান্তভানু সেন ও গীতিকণ্ঠ। গীতিকন্ঠ কমিশনের সদস্যদের প্রশ্ন করেন, কেন্দ্র যে ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত করেছিল অধ্যাপক সেনকে সেই নথিও কি নির্বাচন কমিশনকে জমা দিতে হবে? এই প্রশ্নে রীতিমতো বিব্রত হয়ে পড়েন আধিকারিকরা। তাঁরা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। অমর্ত্য ২৬৮ নম্বর বোলপুর বিধানসভার ভোটার। ২ নম্বর ওয়ার্ডে শান্তিনিকেতন স্টাফ ক্লাবে ভোট দেন। এদিন কমিশনের তরফে এইআরও তানিয়া রায়, ডিএল সোমব্রত মুখোপাধ্যায় ও অন্য প্রতিনিধিরা আসেন। অমর্ত্যর পাসপোর্ট, মা অমিতা সেনের মৃত্যুর শংসাপত্র, আধার কার্ড, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা, নির্বাচন কমিশনকে জমা দেন।

Latest article