প্রতিবেদন : ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ রাজ্য জুড়ে তৃণমূলস্তরে মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসকে। রাজ্যের মানুষের কাছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে ধরা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যেই মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে রাজ্য তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের আলোচনা সভায় যোগ দেন মহিলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে বিভিন্ন জেলার ব্লক-পঞ্চায়েত-পুরসভা স্তরের ৩,৫০০-এরও বেশি মহিলা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা, সাবিনা ইয়াসমিন, বীরবাহা হাঁসদা, জ্যোৎস্না মান্ডি, সাংসদ মালা রায়, মিতালি বাগ, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, অসীমা পাত্র, ফিরদৌসি বেগম, স্মিতা বক্সি, রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। আগামী একমাস জুড়ে গোটা রাজ্যে পাড়ায়-পাড়ায় মাদুর পেতে ‘পাঁচালি’ পাঠের মাধ্যমে উন্নয়নের খতিয়ান ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেবে তৃণমূলের মহিলা শাখা।
আরও পড়ুন-কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রয়াত সাংবাদিকের স্ত্রীকে চাকরি
এদিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গীতশিল্পী তথা বিধায়ক অদিতি মুন্সী বিশেষ ‘পাঁচালি’ পরিবেশন করেন, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার নবজাগরণের অসাধারণ যাত্রাকে তুলে ধরে। রাজ্য তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় মহিলাদের সবকিছুতে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিশ্বমঞ্চে তিনি প্রমাণ করেছেন, মহিলারা ছাড়া জগৎ চলতে পারে না। দলনেত্রী তাঁর কাজের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন, সবসময় যেকোনও পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থেকে মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস কখনও বলে না এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার। আমরা বলি, বাংলার মা-মাটি-মানুষের সরকার। তাঁর সংযোজন, জেলা সভাপতিদের নেতৃত্বে ১৭ থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলবে। ২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তৃণমূলস্তরে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে প্রতিটি বুথে ন্যূনতম তিনটি করে সভা-বৈঠক আয়োজন করতে হবে। ২২ জানুয়ারি জেলায়-জেলায় রাজ্যস্তরের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, এরপর ২৫ জানুয়ারি জেলা সম্মেলন হবে। ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ বাংলার মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ‘উন্নয়নের পাঁচালি ব্রতকথা’ নামক একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যেখানে বাংলার নারীরাই হয়ে উঠবেন উন্নয়নের সবচেয়ে বড় দূত ও বার্তাবাহক।
আরও পড়ুন-মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের এক মাসের মধ্যেই বাঁধ ও সেতু নির্মাণ জেলা প্রশাসনের
মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, কন্যাশ্রী-র মতো প্রকল্পগুলি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে এবং স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মেয়েদের সমর্থন জুগিয়ে চলেছে। বাংলার সরকারের এই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’কে মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েত ও অঞ্চলের মহিলা প্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। মহিলারাই রাজ্যের প্রতিটি কোনায় তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নের আখ্যান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামনের সারিতে থাকবেন। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের সংহতি এবং নারী-নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের উপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিকেই আরও জোরদার করবে। এদিন ঠাসা প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত প্রত্যেক মহিলার হাতে ‘পাঁচালি’র একটি করে কপি তুলে দেওয়া হয় এবং তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়ন-যাত্রার বর্ণনা করে যখন তাঁরা সকলে একছন্দে পাঠ শুরু করেন, তখন গোটা প্রেক্ষাগৃহ মুখরিত হয়ে ওঠে।
নাগপুর : এবারে কি সত্যিই ঘনিয়ে এল মোদির বিদায়বেলা? দলের অন্দর থেকেই সুস্পষ্ট বার্তা, অনেক…
শ্রীনগর : সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কিশতওয়ারের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়েছিল…
ওয়াশিংটন: ইউরোপের দেশগুলির উপর শুল্কের ভার চাপিয়ে গ্রিনল্যান্ড (Greenland_America) দখল করার কৌশল নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় সরকারের সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অভিনব পদক্ষেপ নিলেন তামিলনাড়ুর…
সংবাদদাতা, বারাসত : জনসুনামির সাক্ষী থাকল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসত। সোমবার বারাসতের কাছারি…
ব্যুরো রিপোর্ট: শুনানির নামে হয়রানির প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে গর্জে উঠেছে তৃণমূল (ECI_TMC)। সোমবার মালদহ, কোচবিহার, রায়গঞ্জে…