যোগী সরকারের ব্যর্থতা, দুই গ্রামের বাসিন্দারা চাঁদা তুলে নিজেরাই বানাচ্ছেন সেতু

বছর খানেক ধরেই বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে কিন্তু আদিত্যনাথের সরকারের (Yogi Adityanath) কানে পৌঁছয়ই না কোন কথা।

Must read

বছর খানেক ধরেই বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে কিন্তু আদিত্যনাথের সরকারের (Yogi Adityanath) কানে পৌঁছয়ই না কোন কথা। বহুদিন হল গ্রামে একটা সেতুর প্রয়োজন। বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করা খুব সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বছরের পর বছর প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেও ব্রিজ না পেয়ে অবশেষে গ্রামবাসীরা নিজেরাই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন। সরকারের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই চাঁদা তুলে পাকা ব্রিজ তৈরী শুরু করল। উত্তর প্রদেশের গাজিপুরের কায়মপুর ও সোনা-দুই গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভ ছিল যে মঙ্গাই নদীর উপরে কোনও পাকা সেতু নেই। গ্রামবাসীদের বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষার সময় অনেক সময় ভেঙে পড়ে সাঁকো যার ফলে রীতিমত প্রাণ সংশয় হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো সঙ্কটজনক হয়ে যায়।

আরও পড়ুন-প্রাথমিকের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সার্বিক মূল্যায়নের প্রশ্নপত্র করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ

দীর্ঘদিন ধরেই পাকা ব্রিজের আবেদন জানালেও সরকারের তরফে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ হয়ে অবশেষে গ্রামবাসীরা নিজেরাই ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু করলেন। এই কাজের জন্য গ্রামে চাঁদা তোলা শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই চাঁদা দিয়েই ব্রিজ তৈরি শুরু হল। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই ব্রিজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করা হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর কুমার যাদব এই ব্রিজের ভিত স্থাপন করেন। সেই সময় এক অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে তারপরেই সরকারের তরফে আর কোন কাজের অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায় নি। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই জেলা প্রশাসনের তরফে নির্মীয়মাণ ব্রিজের সুরক্ষা ও গুণমান পরীক্ষা করা হয়। তবে বলা বাহুল্য এখন আর গ্রামের মানুষ সরকারের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না।

 

Latest article