”১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য সরকার আপনাদের এটা উপহার দিল”, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতুর শিলান্যাস করে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
আরও পড়ুন-গঙ্গাসাগরে চার লেনের ৪.৭৫ কিলোমিটার লম্বা সেতু শিলান্যাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
তিনি বলেন, ”চার লেনের ৪.৭৫ কিলোমিটার লম্বা অত্যাধুনিক সেতু বানাতে খরচ হবে ৪০০ কোটি। আগে বলতো না কিন্তু এখন মানুষ বলেন সব সাগর একবার, গঙ্গাসাগর বারবার। গত বছর ঝড়-জলে বিপন্ন হয়েছিল কপিলমুনির আশ্রম। কুপিলমুনি অর্ধেক জলে ডুবে গিয়েছিল। আজ মাত্র ২ লাখ ২৬ হাজার মানুষ পরিষেবা পেলেন। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ -৭০/৮০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে। এখানে আরও ২০টি টুরিজম কটেজ তৈরি হল। নাম দিলাম গঙ্গান্ন। কেমন নাম? নবান্ন, সৌজন্য, সম্পন্ন, শুভন্ন্য, ঐকন্য, সুরান্ন, আপন্য, অরণ্য, গঙ্গান্ন সব মিলিয়ে দেওয়া। নবান্নর একটা গঙ্গান্ন থাকবে না? আগে গঙ্গাসাগরের পরিকাঠামো ছিল খুব খারাপ। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে এই গঙ্গাসাগরের জন্য প্রচুর উন্নয়ন করা হয়েছে । প্রতি বছর আমার মন্ত্রীরা এই মেলার দেখভাল করেন। সুন্দরবন অত্যন্ত বিপজ্জনক অঞ্চল। নবকুমার পথ হারান এখানে। এই সেতুর ফলে এখানকার স্থানীয় মানুষের, পর্যটকদের এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।”
আরও পড়ুন-আমেরিকায় খুন ভারতীয় তরুণী, পলাতক প্রাক্তন প্রেমিক
এরপরেই নাম না করেই বিজেপিকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”এই ক’দিন আগে এসেছিলেন। মিথ্যা কথা বলে গেলেন। আমি ক্ষমা করে দিলাম। স্বৈরাচার, মিথ্যাচার করা ওদের কাজ। যারা মিথ্যাবাদী লগ্নে জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের সত্যবাদী বলা যায় না। আমরা কারও খারাপ চাই না। আগে বলতাম লোডসেডিংয়ের সরকার আর নেই দরকার। এখন বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে সাগরদ্বীপের মতো জায়গায়। ওরা নাকি ধর্ম মানে। সেই ধর্মের না আছে ধ আর না আছে র্ম। শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন, ধর্ম মানে ধারণ। আর যাঁরা উন্নয়নের পাঁচালীকে নিয়ে চাঁচালি করছেন, কোনও যায় আসেন না, তারা কোনও দিন পাঁচালী, জয়-জয় দেবী। বেদ-বেদান্ত পড়েছে? এটা হল উন্নয়নের পাঁচালী। কেউ কেউ নকল করে আমাদের ব্যাঙ্গ করে ব্যাঙ্গমার গল্প বলছেন। আমরা বলি বিজেপির ব্যাঙ্গমার গল্প বলুন। আপনারা কী করেছেন? আপনারা বাংলার জন্য ঘেচু করেছেন। খালি ঘ্যাচাং ফু করছেন। ক্ষমতা থাকলে এর ইংরেজি বের করুন। এগুলো বাংলা কথা। আমরা মুখে বলি না কাজে করি। ওরা গান্ধীজীকে বর্জন করেছে, আমরা অর্জন করেছি। কর্মশ্রীর নাম গান্ধীজী হয়েছে। ওরা বাঙালি অস্মিতাকে অসম্মান করেন। যারা বড়-বড় কথা বলে তাঁদের নাম কাটছেন, তাঁদের মা-বাবার সার্টিফিকেট আছে? আমি আমার মা-বাবার জন্মের সার্টিফিকেট জানি না। কারণ, বাড়িতে সব হোমডেলিভারি। আমিও গ্রামে জন্ম নিয়েছি। বাংলা ছিল আছে থাকবে। বাংলাকে বিনাশের ক্ষমতা নেই। একদিকে মা দুর্গা, অন্যদিকে দক্ষিণা কালী, মা তারা, রক্ষাকালী, ছিন্নমস্তা দাঁড়িয়ে আছে। নাসা থেকে ভাষা একটাই আশা। ভবিষ্যত বাংলা-বাংলা আর বাংলা।”
‘জাগোবাংলা’য় (Jago Bangla) শুরু হয়েছে নতুন সিরিজ— ‘দিনের কবিতা’ (poem of the day)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
মানুষের ছোট ছোট অসুবিধাগুলিকে দূর করে তাদের জীবন সহজ করা। সেবার মধ্যে দিয়ে কঠিন বাধা…
নাগপুর : এবারে কি সত্যিই ঘনিয়ে এল মোদির বিদায়বেলা? দলের অন্দর থেকেই সুস্পষ্ট বার্তা, অনেক…
শ্রীনগর : সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কিশতওয়ারের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়েছিল…
ওয়াশিংটন: ইউরোপের দেশগুলির উপর শুল্কের ভার চাপিয়ে গ্রিনল্যান্ড (Greenland_America) দখল করার কৌশল নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় সরকারের সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অভিনব পদক্ষেপ নিলেন তামিলনাড়ুর…