প্রতিবেদন : অবসর সময়ে ভালবাসেন সিনেমা দেখতে। দাবা ছাড়া পছন্দের খেলা ক্রিকেট। কলকাতায় পা রেখে জানিয়ে দিলেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ।
এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দিতে শহরে এসেছেন দাবার বিস্ময় প্রতিভা। একটি টুর্নামেন্টেও অংশগ্রহণ করবেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই দাবা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে ফেলেছেন। বিশ্বনাথন আনন্দের পর প্রজ্ঞা দ্বিতীয় ভারতীয় দাবাড়ু, যিনি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছেন। সোমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রজ্ঞা বলেন, আমি সুযোগ পেলেই ক্রিকেট দেখি। আমার প্রিয় ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কারণ উনি দাবা খেলতে পছন্দ করেন।
আরও পড়ুন-ডার্বিতে আক্রান্ত সমর্থকরা, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ইস্টবেঙ্গল, বেশ কয়েক মাস মাঠের বাইরে এলসে
একই সঙ্গে প্রজ্ঞানন্দ আরও জানিয়েছেন, টানা দাবা খেলে ক্লান্ত হয়ে পড়লে, সিনেমা দেখে সময় কাটান। চৌষট্টি খোপের উঠতি প্রতিভার বক্তব্য, যখন কোনও টুর্নামেন্ট থাকে না, তখন সিনেমা দেখি। নিয়মিত যোগব্যায়াম করি। এতে মনঃসংযোগ বাড়ে। বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যাগনাস কার্লসেনের সঙ্গে লড়াই করেও হেরে গিয়েছিলেন। তবে আত্মবিশ্বাসী প্রজ্ঞা বলছেন, এর আগে কার্লসেনের বিরুদ্ধে অনলাইনে খেলেছি। ওঁকে হারিয়েছি। এই প্রথমবার সামনে বসে খেললাম। আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বসেরা হতে পারব।
আরও পড়ুন-‘সনাতন ধর্ম’ বিতর্কে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর
তাঁর জীবনে মা নাগালক্ষ্মীর বড় ভূমিকা রয়েছে বলে অকপটে স্বীকার করেছেন প্রজ্ঞা। তাঁর বক্তব্য, প্রতিপক্ষ আমার মুখ দেখে বুঝতে পারে না আমি আদৌ চাপে আছি কিনা। কিন্তু মা বলে দিতে পারে আমি কখন চাপে রয়েছি। মায়ের পাশে থাকাটা আমার কাছে সব সময়ই বাড়তি পাওনা। মানসিকভাবে শক্তিশালী মনে হয় নিজেকে। বাইরে খেলতে গেলে আমি যাতে ঘরোয়া খাবার খেতে পারি, সেই ব্যবস্থাও মা করে।
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…
বরোদা, ১৯ জানুয়ারি : ডব্লুপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত। সোমবার গুজরাট জায়ান্টসকে ৬১…
‘জাগোবাংলা’য় (Jago Bangla) শুরু হয়েছে নতুন সিরিজ— ‘দিনের কবিতা’ (poem of the day)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
মানুষের ছোট ছোট অসুবিধাগুলিকে দূর করে তাদের জীবন সহজ করা। সেবার মধ্যে দিয়ে কঠিন বাধা…