বাবা-ভাইকে সাংসদ পদ ছাড়তে বলো, বাবুলের নিশানায় অধিকারী পরিবার

Must read

প্রতিবেদন : লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে বেরিয়ে আসার পর বাবুল সুপ্রিয়র নিশানায় এবার পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী পরিবার, বলা ভালো রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ”আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কারণ, আমি.বিজেপি দলের সঙ্গে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলাম। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এবং দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানাই আমার উপরে ভরসা রাখার জন্য। আমি আর এখন বিজেপির সদস্য নই। তাই সাংসদ পদ আকড়ে থাকা অর্থহীন।”

এর পরই দিল্লিতে স্পিকারের বাসভবন থেকে বেরিয়ে মিষ্টি কথায় শুভেন্দুকে ঠোকেন বাবুল। রাজনীতির বাইরে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বন্ধুসম জানিয়ে বাবুল বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগে পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিলেন। রাজনীতির বাইরে তিনি আমার বন্ধু।

আরও পড়ুন : সপ্তাহান্তে শীতের আমেজ মহানগরে, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

কিন্তু রাজনৈতিক ভাবে তাঁকেও তো আমার সম্পর্কে কঠোর বাক্য প্রয়োগ করতে হয়। তবে, শুভেন্দুর উচিত তাঁর বাবা ও ভাইকে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পরামর্শ দেওয়া। কারণ তাঁরা তো আর তৃণমূলে নেই।’’

বাবুলের কথায় শুভেন্দুর ‘‘বাবা ও ভাই’’ অর্থাৎ কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী এবং তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর কথাই বলতে চেয়েছেন বাবুল। শুভেন্দুর দলত্যাগের পর থেকে তৃণমূলের প্রতি বিক্ষুব্ধ তাঁর বাবা শিশির অধিকারীও। খাতায়-কলমে তৃণমূলের টিকিটে শিশির অধিকারী দলবিরোধী কথা ও কাজকর্ম করেছেন বলে অভিযোগ। এমনকী, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিশিরবাবু এগরায় অমিত শাহের সভায় হাজির ছিলেন। একই ভাবে তৃণমূলে কোণঠাসা দিব্যেন্দু অধিকারীও। আর তাই বাবুল সম্ভবত শুভেন্দুকে বোঝাতে চেয়েছেন, নৈতিকতার দিকটি মাথায় রেখে শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দুর সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত। এবং সেই বিষয়টি যেন শুভেন্দু তাঁর বাবা আর ভাইকে বোঝান।

 

Latest article