প্রতিবেদন : আমি সৃজা চক্রবর্তী। বাড়ি নদিয়ার বাদকুল্লায়।
আমার বয়স ১২। থাকি নদিয়ার বাদকুল্লা গ্রামে। পায়ের এক জটিল সমস্যায় হাঁটাচলা করতে পারতাম না। চিকিৎসকরা বললেন, অস্ত্রোপচার করতে হবে। এর জন্য কয়েক লাখ টাকা খরচ। আমার বাবা গরিব, এত টাকা কোথায় পাবেন! এই অবস্থায় ঈশ্বরের দূতের মতো পাশে এসে দাঁড়াল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কার্ড। এই কার্ড নিয়ে বাবা আমাকে ভেলোরে সিএমসি–তে নিয়ে যান। সেখানে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ করে অস্ত্রোপচার হয়। আমাদের একটা টাকাও খরচ করতে হয়নি। আপাতত আমি সুস্থ। কৃষ্ণনগর অনাদিনগরে দাদুর বাড়িতে রয়েছি। আমাদের প্রিয় দিদিকে যে কী বলে ধন্যবাদ জানাব ভেবে পাচ্ছি না। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে জানাই শতকোটি প্রণাম।
গ্রিনল্যান্ড (Greenland_Donald Trump) দখলে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার একধাপ এগিয়ে মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর…
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…
নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…