Flood in North Bengal: উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যের তরফে উচ্চ-স্তরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল, টুইট মুখ্যমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার রাতে ভারী বৃষ্টির কারণে বিপজ্জনক পরিস্থিতি হয়েছে মহানন্দা নদীতে। জলস্তর বিপদসীমার ওপরেই উঠেছে ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতেও

Must read

উত্তরবঙ্গে (North Bengal) বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তায় রাজ্য প্রশাসন। তবে চেষ্টার কোন ত্রুটি থাকবে না এই নিয়ে নিশ্চিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বেশ কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কিছু জায়গায় ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে জ্যেমন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে।

আরও পড়ুন-সকাল থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস, শহর জুড়ে মেঘলা আকাশ

জলপাইগুড়ির কিছু জায়গায় জলঢাকা এবং তিস্তা নদীর জল বিপদসীমা ছুঁয়ে বয়ে চলেছে। এর জেরেই জলবন্দি হয়ে পড়েছেন আলিপুরদুয়ারে কমপক্ষে দশ হাজার মানুষ। মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে, পাহাড় এবং সমতলে আগামী এক-দু’দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভুটান থেকে সিকিম সব জায়গায় এক নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাতেও বৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকা থেকে জল গড়িয়ে সমতলে নামছে।

আরও পড়ুন-বাড়িতে ঢুকে মানসিক ভারসাম্য়হীন মহিলাকে মাথায় গুলি মণিপুরে

বৃহস্পতিবার রাতে ভারী বৃষ্টির কারণে বিপজ্জনক পরিস্থিতি হয়েছে মহানন্দা নদীতে। জলস্তর বিপদসীমার ওপরেই উঠেছে ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতেও। এই অবস্থায় জল-যন্ত্রণার শিকার হয়েছে শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড। সেচ দফতর এই বিষয়ে জানিয়েছে, তিস্তা জলঢাকা-সহ সব নদীতে জল বাড়ছে। বানারহাটে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হাতিনালা উপচে পড়েছে বলে। নাগরাকাটায় ডায়না নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকেছে বেশ কয়েকটি গ্রামে। সব মিলিয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায়।

আরও পড়ুন-পড়াশুনো শিকেয়, ক্লাসে নাক ডেকে ঘুম শিক্ষকের

এই অবস্থায় রাজ্যের তরফে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত সমাধান সূত্র বের করতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। টুইট বার্তায় আজ তিনি জানান রাজ্যের তরফে প্রতিনিধিদল যাচ্ছে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এদিন তিনি টুইট করে লেখেন, ‘রাজ্যের সেচ মন্ত্রীর অধীনে কৃষি সচিবসহ বেশ কয়েকজন প্রতিনিধিকে বন্যা কবলিত উত্তরবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে। আগামীকাল একটি উচ্চ-স্তরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল সেখানে পাঠানো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে, নদীগুলি প্লাবিত হয়েছে, রাস্তাগুলি বিপর্যস্ত হয়েছে। এর ফলে বহু সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে, মানুষ মারা গেছে। ডিএম এবং এসপিরা এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের সহায়তায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ করছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটরিং করছি এবং আমার মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছি পরিস্থিতির সর্বাঙ্গীন তদারকি করার জন্য। সবরকম সহায়তার কোন ত্রুটি থাকবে না।’

 

Latest article